বাবার উৎসাহে ডাক্তার হলেন চাটখিলের সবার প্রিয় ডাঃ জাবেদ

পুরো নাম এটিএম জাবেদ হাসান।
চাটখিল উপজেলা সহ সবাই তাঁকে চেনেন ডা. জাবেদ নামে।
ছোট বেলাতে বাবা উৎসাহ দিতেন ডাক্তার হতে।
বাবার স্বপ্নকে ধারন করে প্রাথমিক অধ্যয়ন শেষ করেন ১৯৮৫ সালে, চাটখিল উপজেলাস্হ ৭ নং ইউনিয়নের হাটপুকুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে।
কৃতিত্বের সাথে একই সালে চাটখিল উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি লাভ করেন।
১৯৯০ সালে, হযরত শাহ আলী মডেল স্কুল, মিরপুর, ঢাকা থেকে এসএসসি এবং ১৯৯২ সালে আদমজী ক্যাটেন্টমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উর্ত্তীন্ন হয়ে সিলেট এমএজি ওসমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রী শেষ করে ডাক্তারী পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন।
২৭ তম বিসিএস এ নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে ২০০৮ সালে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি চাকুরী জীবন শুরু করেন।
শুরু থেকে স্থানীয় রোগী সহ সকলের কাছে পরম প্রিয় জাবেদ ডাক্তার।
কেবল ডাক্তারির মাধ্যমে চিকিৎসা নয়,
চিকিৎসা সেবাকে মহান ও সকলের কাছে সম্মানিত করেছেন এই ডাক্তার।
চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন চাকুরী করেছেন । চাটখিলে থাকাকালীন তিনি ছিলেন শুভ্রতার প্রতীক, এখনও আছেন রোগিদের কাছে। ডাক্তার এটিএম জাবেদ হাসানে সম্প্রতি সহকারী অধ্যাপক হিসাবে পদন্নোতি পেয়েছেন, খবরটা যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকে তিনি প্রথম জানিয়েছন, সেই থেকে অনেক শুভাকাঙ্গী তাকে জানিয়েছে শুভেচ্ছা।
গত কয়েক বছর থেকে জাবেদ ডাক্তারের সাথে পরিচয়, দেখা হওয়ার সাথে সাথে সালাম, তরপর মিষ্টি হেসে বলেন -” ভাই কেমন আছেন”? কথাটিতে তার চারিত্রের যে বৈশিষ্ট্য, তা অনেক আনন্দের। তিনি দীর্ঘদিন চাটখিলের মানুষের সেবা করছেন।
বর্তমান চাকুরী জীবনে তিনি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে থাকতে হলেও, প্রতি বৃহস্প্রতিবারে আপন ঠিকানায় আসেন চাটখিলের মানুষের সেবা করতে। উপজেলা পরিষদের পাশে চাটখিল দক্ষিন বাজারের রিপন ফার্মেসী নামক একটি ফামের্সীতে তিনি রোগী দেখেন। স্থানীয় রোগীরাও তার সেবায় সন্তুষ্ট, সেখানে রোগীর ভীড়ে তা বলে দেয়।
ডাক্তার জাবেদ হাসান উপজেলা হাটপুকুরিয়া ইউনিয়ন গোবিন্দপুর আখান্জি বাড়িতে ১৯৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- মৃত মোঃ আবু তাহের, মাতাঃ লায়লা আরজুমান আরার ২য় সন্তান ডাক্তার জাবেদ হাসান।

হাসিমাখা ডাক্তার জাবেদের সাথে কথা হয়,
তিনি চাটখিলবার্তার অনলাইনকে বলেন,” ভালবাসায় দূরদূরান্ত থেকে যখন মানুষ আমার সেবা নিতে আসে, তখন নিজেকে সার্থক ডাক্তার বলে মনে হয়। এই ভালোবাসাই আমাকে সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখে। এভাবেই আমি মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে থাকতে চাই।’
স্বাস্থ্য সেবায় সচেতনতা তৈরি লক্ষ্যে, তিনি চাটখিল ওয়াকিং ক্লাবে যুক্ত আছেন। তিনি জানান –” নিয়মিত হাটার মাধ্যমে শরীরকে কর্মক্ষম রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিস, প্রেসার, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা সম্ভব”।

উনার ফেসবুক প্রোফাইল পিকচারে লেখা আছে –
” আমি হয়তো নিখুঁত মানুষ নই,
তবে অন্য কাউকে ঠকানোর মানুষও না”!
এই ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন-
” আমার মানবিক ও পেশাগত সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে রোগিদের সাথে ভালো ব্যবহার, উপসর্গের সমান্তরাল পরীক্ষা নিরীক্ষা ও ঔষধ লেখার চেষ্টা করি “।

Developed by : M. Masud Alam