চাটখিলে অনুদানের টাকায় চলা মানুষগুলো কি পারবে পল্লী বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে?

 

মাইনউদ্দিন বাঁধনঃ করোনার মহামারী যখন প্রকোট আকার ধারণ করেছে তখন থেকে দীর্ঘ তিনমাস চাটখিল উপজেলার মানুষগুলো সরকারি কিংবা বেসরকারি অনুদানে জীবনের চাকা সচল রাখলেও। চিন্তায় কপালের ভাঁজ হয়ে দাঁড়িয়েছে চাটখিল উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের বিল। দীর্ঘ কয়েকদিন থেকে যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই তাদের পল্লী বিদ্যুতের বিল সম্পর্কে অভিযোগ করে আসছে। অনেকেরই অভিযোগ পূর্বের মাসের তুলনায় পরবর্তী মাসে পল্লী বিদ্যুতের বিল দ্বিগুণ-তিনগুণ হওয়ায়। তাদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এদিকে গত তিন মাসে নোয়াখালী ১ আসনের মাননীয় সাংসদ এইচ এম ইব্রাহিম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর আলম, চাটখিল উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির ও চাটখিল পৌর মেয়র মোহাম্মদ উল্লাহ তাদের ব্যক্তিগত ও সরকারি অনুদানের মাধ্যমে চাটখিল উপজেলা ও পৌরসভার জনগণের জীবনযাত্রার মান সচল রাখলেও। পল্লী বিদ্যুতের বিলে অনেকটা হতাশায় রয়েছে চাটখিলের সাধারণ পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। এদিকে পল্লী বিদ্যুতের ৩ মাসের বিল অপরিশোধিত থাকলে গ্রাহক এর বিদ্যুতের লাইন বিচ্ছিন্ন করা হওয়ার কথা। কিন্তু জুন শেষে প্রতিটি গ্রাহকের তিন মাসের বিল বকেয়া পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় পল্লী বিদ্যুৎ কি সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা জানা যায়নি। এখন চাটখিল উপজেলার সাধারণ পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের একটি চিন্তা দীর্ঘ তিনমাস অনুদানের টাকায় সংসারের চাকা চললেও। চিন্তার বিষয় পল্লীবিদ্যুতের বকেয়া বিল।

ডিজিএম
চাটখিল পল্লীবিদ্যুত সমিত

চাটখিল পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস এর ডিজিএম মোহাম্মদ কামাল হোসেন চাটখিলবার্তা অনলাইন কে বলেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ জুন তারিখ পর্যন্ত প্রতিটি গ্রাহককেই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এটা চাটখিল পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন অঞ্চলে মাইটিং করে বলা হয়েছে। তবে বিশেষ বিবেচনায় যাদের বিদ্যুৎ বিল বেশি তাদের লাইন বিচ্ছিন্ন করা হলেও কম বিদ্যুৎ বিল দারীদের ব্যাপারে বিবেচনা করা হবে।

Developed by : M. Masud Alam