চাটখিলের আরিফ সৎ ও ভদ্র রাজনীতির এক মূর্ত প্রতিক

সৎ ও ভদ্র রাজনীতির এক মূর্ত প্রতিক। যিনি সব সময় নিজে কষ্ট করে গেছেন। তবুও কোন অন্যায় আর অপরাধের কাছে মাথা নত করেন নাই। যার রাজনীতির শুরু করেছিলেন ২০০২-২০০৩ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে ভীমপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে যার রাজনীতি শুরু হয়ছিলো। তারপর পৌরসভা ওয়ার্ড ২নং ওয়ার্ড ছত্রলীগ ও  চাটখিল সরকারি কলেজ ও উপজেলা ছাত্রলীগ এর রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময়ে, তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে চাটখিলে তিনি সমস্ত আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।আন্দোলন করতে গিয়ে তাকে বারবার জামায়াত বিএনপির রোষানলে পড়তে হয়েছিল। ২০০৪ সালের ২১শে আগষ্ট গ্রনেড হামলার আন্দোলন, ২০০৫ সালে সারা দেশে সিরিজ বোমার হামলার বিরুদ্ধে আন্দোলন, তারপর তত্বাবদায়ক সরকার ও  নির্বাচন কমিশনার (ইয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ ও কে এম হাসান) এর বিরুদ্ধে আন্দোলন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে যখন ফখরুদ্দীন ও মাঈনউদ্দিনের সরকার আটক করেছিল তখন রাজপথে শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।

তারপর তিনি উচ্চ শিক্ষা অর্জনের লক্ষে ঢাকায় চলে যান। সেখানে গিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের রাজনীতির সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তারপর ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক পদে মনোনীত হয়ে সাবেক সভাপতি এস এম রবিউল ইসলাম সোহেল এবং  সাধারন সম্পাদক আজিজুল হক রানা এর কমিটিতে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করেন। তারপর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২০১৫ এর কাউন্সিলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়ে তার প্রতিভার পরিচয় দিযেছিলেন। হয়তো ভাগ্য সহায় ছিলোনা বিদায় তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হননি। পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান মিজান ও সাধারণ সম্পাদক মহীউদ্দিন আহম্মেদ এর কমিটিতে সহ সভাপতি পদে মনোনীত হন। সেখানেও তিনি সততার সাথে তার উপর অর্পিত দায়ীত্ব পালন করে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছেন।

Developed by : M. Masud Alam